বাচ্চার স্ক্রিন টাইম: কোন বয়সে কতটুকু
WHO-র ২০১৯ নির্দেশিকা: ১ বছরের কম বয়সে স্ক্রিন টাইম সুপারিশ করা হয় না, ১ বছর বয়সেও না, ২ বছরে ১ ঘণ্টার বেশি নয়। স্ক্রিনের বদলে বই পড়া, গল্প, গান আর খেলা।
এক নজরে
- WHO বলছে, ১ বছরের কম বয়সী বাচ্চার জন্য স্ক্রিন টাইম সুপারিশ করা হয় না।
- ১ বছর বয়সী বাচ্চার জন্যও বসে বসে স্ক্রিন দেখা (টিভি বা ভিডিও দেখা, কম্পিউটার গেম খেলা) সুপারিশ করা হয় না; ২ বছর বয়সে দিনে ১ ঘণ্টার বেশি নয়, যত কম তত ভালো।
- বাচ্চা যখন বসে থাকে, তখন বড়দের সঙ্গে বই পড়া আর গল্প বলায় উৎসাহ দিন; WHO বলছে, বই পড়া, গল্প, গান আর ধাঁধার মতো স্ক্রিন ছাড়া কাজ বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- স্ক্রিনের বদলে সক্রিয় খেলা: ১ বছরের কম বয়সে দিনে কয়েকবার মেঝেতে খেলা, আর যে বাচ্চা এখনো নড়াচড়া করতে পারে না, তার জন্য জেগে থাকা অবস্থায় দিনে মোট অন্তত ৩০ মিনিট উপুড় করে রাখা (টামি টাইম)।
বাচ্চার স্ক্রিন টাইম (অনেকে যেটা খোঁজেন “bacchar screen time koto ghonta” লিখে) নিয়ে WHO ২০১৯ সালে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের শারীরিক কার্যকলাপ, বসে থাকা আর ঘুম নিয়ে নির্দেশিকা দিয়েছে। এই লেখা শুধু সেই নির্দেশিকা থেকে সাজানো। WHO বলছে, ছোট বাচ্চাদের স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা কমাতে হবে, ভালো ঘুম দরকার, আর সক্রিয় খেলার জন্য বেশি সময় দিতে হবে।
বয়স অনুযায়ী WHO কী বলে
- ১ বছরের কম: স্ক্রিন টাইম সুপারিশ করা হয় না।
- ১ বছর বয়সী: বসে বসে স্ক্রিন দেখা (যেমন টিভি বা ভিডিও দেখা, কম্পিউটার গেম খেলা) সুপারিশ করা হয় না।
- ২ বছর বয়সী: বসে বসে স্ক্রিন দেখা দিনে ১ ঘণ্টার বেশি নয়; যত কম, তত ভালো।
সব বয়সেই WHO বলছে: বাচ্চা যখন বসে থাকে, তখন বড়দের সঙ্গে বই পড়া আর গল্প বলায় উৎসাহ দিন।
স্ক্রিনের বদলে যা করবেন
WHO বলছে, বড়দের সঙ্গে বই পড়া, গল্প বলা, গান গাওয়া আর ধাঁধা মেলানোর মতো স্ক্রিন ছাড়া কাজ বাচ্চার বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। লম্বা সময় স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে রাখার বদলে সক্রিয় খেলা দিন, আর খেয়াল রাখুন বাচ্চা যেন যথেষ্ট ভালো ঘুম পায়।
- ১ বছরের কম: দিনে কয়েকবার নানাভাবে নড়াচড়া, বিশেষ করে মেঝেতে বড়দের সঙ্গে খেলা; যত বেশি, তত ভালো। যে বাচ্চা এখনো নড়াচড়া করতে পারে না, তাকে জেগে থাকা অবস্থায় দিনে মোট অন্তত ৩০ মিনিট উপুড় করে রাখুন (টামি টাইম)। একটানা ১ ঘণ্টার বেশি প্র্যাম, উঁচু চেয়ার বা পিঠে বেঁধে আটকে রাখবেন না।
- ১–২ বছর: দিনে মোট অন্তত ১৮০ মিনিট নানা ধরনের সক্রিয় খেলা; যত বেশি, তত ভালো। একটানা ১ ঘণ্টার বেশি আটকে রাখবেন না বা লম্বা সময় বসিয়ে রাখবেন না।
বসা, হামাগুড়ি আর হাঁটা কখন শুরু হয়: বাচ্চার বসা, হামাগুড়ি ও হাঁটা।
ঘুমও জরুরি
WHO অনুযায়ী ভালো মানের ঘুম, দিনের ঘুমসহ: ০–৩ মাসে ১৪–১৭ ঘণ্টা, ৪–১১ মাসে ১২–১৬ ঘণ্টা, আর ১–২ বছরে ১১–১৪ ঘণ্টা, নিয়মিত ঘুমানো ও ওঠার সময় মেনে। নিরাপদে ঘুম পাড়ানো নিয়ে: নিরাপদ ঘুম ও শিশুকে উষ্ণ রাখা।
বাচ্চার বিকাশ বা অভ্যাস নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে স্বাস্থ্যকর্মীকে জিজ্ঞেস করুন, বা স্বাস্থ্য বাতায়নে ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন করুন।
সাধারণ প্রশ্ন
কত বছর বয়স থেকে বাচ্চাকে মোবাইল বা টিভি দেখতে দেওয়া যায়?
WHO-র ২০১৯ নির্দেশিকা বলছে, ১ বছরের কম বয়সে স্ক্রিন টাইম সুপারিশ করা হয় না, আর ১ বছর বয়সেও বসে বসে স্ক্রিন দেখা সুপারিশ করা হয় না। ২ বছর বয়সে দিনে ১ ঘণ্টার বেশি নয়, যত কম তত ভালো।
স্ক্রিনের বদলে বাচ্চার সঙ্গে কী করব?
WHO বলছে, বড়দের সঙ্গে বই পড়া, গল্প বলা, গান গাওয়া আর ধাঁধা মেলানোর মতো স্ক্রিন ছাড়া কাজ বাচ্চার বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দিনে কয়েকবার মেঝেতে খেলার সুযোগ দিন।
২ বছরের বাচ্চা দিনে কতক্ষণ স্ক্রিন দেখতে পারে?
WHO বলছে, ২ বছর বয়সে বসে বসে স্ক্রিন দেখা দিনে ১ ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়; যত কম, তত ভালো।
Bacchar screen time koto ghonta?
WHO অনুযায়ী ১ বছরের কম বয়সে স্ক্রিন টাইম সুপারিশ করা হয় না, ১ বছর বয়সেও না, আর ২ বছর বয়সে দিনে ১ ঘণ্টার বেশি নয়। স্ক্রিনের বদলে বই পড়া, গল্প, গান আর খেলা।
এই লেখা শুধু সাধারণ তথ্যের জন্য, ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শের বিকল্প নয়। সম্পূর্ণ সতর্কতা
সূত্র
কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের জানান: ভুল জানান