০ থেকে ৩ মাসের বাচ্চা
জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন, আর শালদুধ ফেলে দেবেন না (প্রথম ঘণ্টায় বুকের দুধ ও শালদুধ)। এই বয়সে বাচ্চার জন্য শুধু মায়ের দুধই যথেষ্ট, পানিও নয় (প্রথম ছয় মাস শুধু বুকের দুধ)। নাভি পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন, তাতে গোবর বা কোনো ঘরোয়া জিনিস লাগাবেন না (নাভি ও ত্বকের যত্ন)।
প্রতিটি ঘুমে বাচ্চাকে চিত করে, শক্ত ও সমান আলাদা জায়গায় শোয়ান, আর ত্বকে-ত্বকে ছোঁয়া দিয়ে উষ্ণ রাখুন (নিরাপদ ঘুম ও উষ্ণ রাখা)। বিসিজি টিকা জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, আর পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি ও ওপিভি ৬ ও ১০ সপ্তাহে (টিকার সময়সূচি)।
এই বয়সে অসুখ দ্রুত গুরুতর হতে পারে। বাচ্চা ঠিকমতো না খেলে, খিঁচুনি হলে বা দ্রুত শ্বাস নিলে দেরি না করে হাসপাতালে যান। সব বিপদ চিহ্ন দেখুন নবজাতকের বিপদ চিহ্ন ও জরুরি অবস্থা পাতায়।
নবজাতকের যত্ন
-
জন্মের পর প্রথম ঘণ্টায় বুকের দুধ ও শালদুধ
জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ, বিশেষ করে হলুদ রঙের শালদুধ, শিশুর প্রথম ও সবচেয়ে দরকারি খাবার।
-
নবজাতকের নাভি ও ত্বকের যত্ন
নবজাতকের নাভি পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন, তাতে কিছু লাগাবেন না, আর জন্মের অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর প্রথম গোসল দিন।
-
নবজাতকের বিপদ চিহ্ন: কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন
নবজাতকের কিছু লক্ষণ দেখলে এক মুহূর্তও দেরি না করে হাসপাতালে যেতে হয়; লক্ষণগুলো চিনে রাখুন।
-
নিরাপদ ঘুম ও শিশুকে উষ্ণ রাখা (ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সহ)
শিশুকে সবসময় চিত করে, শক্ত ও সমান আলাদা জায়গায় ঘুম পাড়ান, আর নবজাতককে উষ্ণ রাখুন; ছোট বা আগে জন্মানো শিশুর জন্য ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার জীবন বাঁচায়।